ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

পর্যাপ্ত হাসপাতাল থেকেও প্রয়োজনীয় সেবা নেই

  • আপলোড সময় : ০২-০৬-২০২৪ ১২:৫৩:২৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৬-২০২৪ ১২:৫৩:২৪ অপরাহ্ন
পর্যাপ্ত হাসপাতাল থেকেও প্রয়োজনীয় সেবা নেই

অরুন্ধুতি রায়
অসুস্থতা বা দুর্ঘটনা কোনো নির্দিষ্ট সময় করে আসে না। যেকোনো মুহূর্তে মানুষ অসুস্থ বা দুর্ঘটনায় পড়তে পারে। এমন মর্মান্তিক অবস্থা থেকে বাঁচতে প্রয়োজন চিকিৎসা। আর চিকিৎসার জন্য চায় হাসপাতাল। যখন হাসপাতাল পর্যাপ্ত পরিমাণ থাকার পরেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাওয়া যায় না তখন বিষয়টি কেমন দাঁড়ায়? সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয় করেছেন হাসপাতালের পিছনে অথচ সেখানে চিকিৎসা হচ্ছে না! মিরসরাইয়ের মতো চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলার ৯২টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যন্ত্রপাতির স্বল্পতার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পাওয়া যায় না। উপজেলা হাসপাতালগুলোয় ২৪৪টি চিকিৎসা যন্ত্রপাতি জেনারেটর অচল পড়ে রয়েছে। ছাড়া ১১টি জেলা হাসপাতালের ৮১টি যন্ত্র অচল অবস্থায় রয়েছে। বিভাগের জেলা উপজেলার ১০৩ হাসপাতালে মোট বিকল যন্ত্রপাতির সংখ্যা ৩২৫। পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজেলা হাসপাতালগুলোয় যন্ত্রপাতির জন্য বেশি হাহাকার চলছে। চিকিৎসাসেবা-সংকটের পাশাপাশি বিদ্যুৎ না থাকলে অন্ধকারেও ডুবে থাকতে হয় অনেক হাসপাতালকে। অনেক হাসপাতালে জেনারেটর নেই। আবার জেনারেটর থাকলেও ¦ালানির বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয়। তাই প্রান্তিক পর্যায়ে কাক্সিক্ষত সেবা না পেয়ে লোকজন ছুটছেন বিভাগীয় হাসপাতালে। সাধারণত উপজেলা হাসপাতালগুলোয় ইসিজি, এক্সরে, আলট্রাসাউন্ড, অ্যানেসথেসিয়া যন্ত্র, ডায়াথার্মিক যন্ত্র সাধারণ অস্ত্রোপচারের (সিজারিয়ানসহ) ব্যবস্থা থাকে। উপজেলা হাসপাতালগুলোর ২৯টিতে আলট্রাসাউন্ড মেশিন নেই। আবার আলট্রাসাউন্ড থাকলেও তার জন্য উপজেলা পর্যায়ে কোনো সনোলজিস্টের পদ নেই। রাঙামাটির পাঁচটি উপজেলা হাসপাতালে এক্সরে যন্ত্র, ডায়াথার্মিক যন্ত্র, অ্যানেসথেসিয়া যন্ত্র নষ্ট অথবা নেই। নেই ওটি টেবিলও। আবার দুটি হাসপাতালে এসব যন্ত্রের পাশাপাশি আলট্রাসাউন্ড যন্ত্র এবং জেনারেটর সুবিধাও নেই। বান্দরবানের তিনটি উপজেলা হাসপাতালে ডায়াথার্মিক, অ্যানেসথেসিয়া, এক্সরে মেশিন, ওটি টেবিল জেনারেটর নেই। খাগড়াছড়ির সাতটি উপজেলা হাসপাতালে ডায়াথার্মিক, ওটি টেবিল, আলট্রাসাউন্ড নেই। ম্বাস্থ্যমন্ত্রী সামন্ত লাল সেন বলেছেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করে যাব। চট্টগ্রামের পাশাপাশি অন্যান্য জেলারও স্বাস্থ্যসেবা যাতে আরও উন্নত হয় প্রচেষ্টা সরকারের রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতার চিত্র বিপরীত। যেখানে প্রয়োজনে চিকিৎসা সেবাই পাওয়া যায় না, সেখানে উন্নত চিকিৎসাসেবা তো বিলাসিতা কেবল। উন্নয়নশীলের পথে হাঁটা দেশে এমন চিত্র ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। ওই সমস্যাগুলো সমাধানে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া দরকার। যেসব হাসপাতালে ডাক্তার সংকট সেসব জায়গায় ডাক্তার নিযুক্ত করুন। ছাড়া চিকিৎসা ক্ষেত্রে যেসকল যন্ত্রপাতি প্রয়োজন প্রত্যেকটি হাসপাতালে এর সুব্যবস্থা করুণ। সময়মতো চিকিৎসা নিতে পারলে  জনসাধারণ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে এবং সুস্থতার সম্ভাবনাও বেশি থাকবে।

লেখক : গণমাধ্যম কর্মী
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স
প্রতিবেদকের তথ্য